ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ,সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ন করতে সুন্দরগঞ্জে যৌথ বাহিনীর নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২৯ গাইবান্ধার-১ সুন্দরগঞ্জ আসনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে যৌথ বাহিনী। শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র এবং চরাঞ্চলে বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে মাদক সেবন ও সন্ত্রাসী তৎপরতা প্রতিরোধে এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বেলকা বাজারের সামনে যৌথ বাহিনীর চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করেন । এ সময় অবৈধ অস্ত্র ও সন্দেহজনক কার্যক্রমের ওপর কড়া নজর রাখা হয়।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পুলিশের সমন্বয়ে এই চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালিত হয়। অভিযানে সড়কে চলাচলকারী মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। পাশাপাশি সন্দেহভাজন ব্যক্তি যানবাহনের মালামাল পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হয়।
যৌথ বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সুন্দরগঞ্জে পরিচালিত এই চেকপোস্ট কার্যক্রমের মাধ্যমে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে । নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেউ যাতে কোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য যৌথবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক দিন ধরে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের নিয়মিত টহল এবং সক্রিয় উপস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ বৃদ্ধি পেয়েছে। ভোটের পরিবেশ স্বাভাবিক ও শান্ত রয়েছে, পাশাপাশি ভোটারদের মধ্যে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার ব্যাপারে আস্থা তৈরি হয়েছে।প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে সুন্দরগঞ্জে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটের পরিবেশ গড়ে উঠছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সংশ্লিষ্টরা।একই সঙ্গে উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিও আগের তুলনায় উন্নতির দিকে যাচ্ছে।
এদিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা নিয়মিতভাবে উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করছেন। পাশাপাশি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দুর্গম চরাঞ্চলগুলোতে দেশীয় যান ব্যবহার করে টহল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার হয়েছে।
সুন্দরগঞ্জ আর্মি ক্যাম্প সূত্র জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জনগণের জানমাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, এলাকা মাদকমুক্ত রাখা এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনকালীন সময় পর্যন্ত এসব নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
সাম্প্রতিক মন্তব্য
কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য লিখুন