দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিতে হবে বললেন, দুদুক সচিব
দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর লড়াইয়ে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা, কঠোর আইনি ব্যবস্থা, ডিজিটালাইজেশন এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির কোনও বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম। তিনি বলেন, ‘দুদককে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে শক্তিশালী করা গেলে এবং বিচার প্রক্রিয়া দ্রুততর করা সম্ভব হলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা সম্ভব।’
সোমবার (১১ মে) গাইবান্ধার ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক গণশুনানিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। দুর্নীতি দমন কমিশন ও জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই গণশুনানিতে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত দপ্তর এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৩২টি বিভাগের ৯৭টি অভিযোগ উপস্থাপন করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে জবাবদিহিতা নেওয়া হয়।
জনগণের কাছে সরকারি সেবা নিশ্চিত করা এবং সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে সততা ও মূল্যবোধ সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে এ গণশুনানির আয়োজন করা হয়। গণশুনানিতে বিভিন্ন বিভাগের প্রধানরা সরাসরি নাগরিকদের অভিযোগের মুখোমুখি হন এবং তাৎক্ষণিক জবাব দেন।
দুদক সচিব আরও বলেন, ‘বিভিন্ন সরকারি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সেবার মান উন্নত করাই দুর্নীতি বন্ধের সবচেয়ে কার্যকর পথ। দেশের প্রতিটি জেলায় এ ধরনের গণশুনানি আয়োজন অব্যাহত থাকবে।’
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে বক্তব্য রাখেন দুদক প্রধান কার্যালয়ের মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন, মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরীফ আল রাজীব এবং জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি এম. আব্দুস সালাম।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন রংপুর দুদকের নুর বকস্ বাবুল এবং গীতাপাঠ করেন জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য উজ্জ্বল চক্রবর্তী।
সাম্প্রতিক মন্তব্য
কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য লিখুন