আজঃ সোমবার, ০৯ মার্চ, ২০২৬ -এ ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ - ২০ রমজান ১৪৪৭
  • আজ রংপুরের আবহাওয়া
• পার্বতীপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আটক ১ • মধ্যপাড়া পাথর খনিতে উত্তোলন বন্ধের শঙ্কা, ইয়ার্ডে জমে আছে ৪২০ কোটি টাকার পাথর • শৃঙ্খলা ভাঙলেই সর্বনাশ, প্রশাসনের সঙ্গে সংঘাত নয় : হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া • পঞ্চগড়ে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ২৭০ কোটি টাকার মালিক দাবি, আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন • পার্বতীপুরে বিএনপির ইফতার মাহফিলে সাবেক মেয়র মিনহাজুল হককে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা • পার্বতীপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আটক ১ • মধ্যপাড়া পাথর খনিতে উত্তোলন বন্ধের শঙ্কা, ইয়ার্ডে জমে আছে ৪২০ কোটি টাকার পাথর • শৃঙ্খলা ভাঙলেই সর্বনাশ, প্রশাসনের সঙ্গে সংঘাত নয় : হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া • পঞ্চগড়ে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ২৭০ কোটি টাকার মালিক দাবি, আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন • পার্বতীপুরে বিএনপির ইফতার মাহফিলে সাবেক মেয়র মিনহাজুল হককে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা

পঞ্চগড়ে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ২৭০ কোটি টাকার মালিক দাবি, আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন

Nuclear Fusion Closer to Becoming a Reality6

ইকবাল বাহার

ইকবাল বাহার , পঞ্চগড় সদর , পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ

আপডেটঃ 9 মার্চ, 2026

পঞ্চগড়ে জেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপ-পরিচালক ও বোদা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান নিজেকে প্রায় ২৭০ কোটি টাকার অধিক সম্পদের মালিক বলে দাবি করেছেন। একজন উপজেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তার এত বিপুল সম্পদের উৎস নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে।

জানা যায়, সম্প্রতি পঞ্চগড় জেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ে বসে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, তার মালিকানায় রয়েছে মোট ৭৫ বিঘা জমি। এর মধ্যে নিজের নামে ২৫ বিঘা, স্ত্রীর নামে ২৫ বিঘা এবং ছেলের নামে ২৫ বিঘা জমি রয়েছে।

স্থানীয় বাজারদর অনুযায়ী ১ কাঠা জমির মূল্য প্রায় ১৮ লাখ টাকা বলে তিনি উল্লেখ করেন। হিসাব অনুযায়ী ২০ কাঠায় ১ বিঘা, ফলে ৭৫ বিঘা জমিতে মোট ১৫০০ কাঠা জমি হয়। সেই হিসাবে তার জমির বাজারমূল্য দাঁড়ায় প্রায় ২৭০ কোটি টাকা। এছাড়াও গুলশানের মতো স্থানে তার একাধিক বাড়ী রয়েছে বলে বলেন।

একজন সরকারি কর্মকর্তার এত বিপুল সম্পদের উৎস নিয়ে ইতোমধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সরকারি চাকরির সীমিত আয়ে এমন বিপুল সম্পদ অর্জন কীভাবে সম্ভব তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।

এদিকে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে বদলির আদেশ দেওয়া হলেও অজ্ঞাত কারণে তিনি এখনো পঞ্চগড়েই দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে।

বর্তমানে তিনি বোদা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি দেবীগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করছেন।

সচেতন নাগরিকদের মতে, যদি শুধু জমির মূল্যই প্রায় ২৭০ কোটি টাকা হয়ে থাকে, তবে ব্যাংকে থাকা অর্থ, এফডিআর, স্বর্ণালংকার, বাড়ি ও অন্যান্য সম্পদ মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ আরও অনেক বেশি।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, ঢাকার গুলশান এলাকায় তার একাধিক বাড়ি রয়েছে, যার মূল্য এই হিসাবের মধ্যে ধরা হয়নি।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য জাতির সামনে তুলে ধরা হোক এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

মন্তব্য লিখুন

সাম্প্রতিক মন্তব্য

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সম্পাদকের কলাম

সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান

মতামত ও কলাম

ড. মাহফুজ পারভেজ
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
মামুন রশীদ
মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া
ডঃ সাদিক আহমেদ বিপুল
image