গাইবান্ধায় নারীর গলা কাটাসহ চারজনকে জখম, ঘাতক আটক
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় বহিরাগত এক যুবকের হামলায় এক নারীর গলা কাটাসহ একই পরিবারের চারজন গুরুতর আহত হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী হামলাকারী রনি নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) জুম্মার নামাজ পর ঘটনাটি ঘটে উপজেলার তালুকানুপুর ইউনিয়নের তালুকানুপুর গ্রামে। আটককৃত যুবক রনি জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার বিলখারা ইউনিয়নের খয়বর মণ্ডলের ছেলে মর্মে জানা গেছে।
এলাকাবাসী ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তালুককানুপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে বাবলু মিয়ার বাড়িতে রনি নামের ওই যুবক ঘরে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলায় এক নারীর গলা কাটাসহ একই পরিবারের চারজনকে গরুতর আহত করে।
আহতরা হচ্ছেন হেলেনা বেগম (৫৫), বাবলু মিয়া, শেফালী আক্তার ও পাপরী খাতুন।
এঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী হামলাকারী যুবক রনিকে ঘটনাস্থল থেকেই হাতে নাতে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
পরে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে হেলেনা বেগমের অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।
পুলিশ ঘাতক রনিকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তবে কী কারণে এই আকস্মিক ও নৃশংস হামলা চালানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।
তবে বাবলু মিয়ার পরিবার ধারনা, বাবলু মিয়ার ভাগ্নে ঢাকায় কর্মরত দিপুকে দরবস্ত ইউনিয়নের বালুপাড়ায় বিয়ে করানো হয়েছিল, সেই বউকে কিছু দিন পূর্বে ছেড়ে দিয়ে বরিশালের এক মেয়েকে দিয়ে সম্প্রতি বিয়ে করানো হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রনি ক্ষিপ্ত হয়ে এ ঘটনা ঘটাতে পারে।
গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, ঘটনাস্থল থেকে রনি নামে এক যুবককে স্থানীয়রা পুলিশে সোপর্দ করে। তাকে আহত অবস্থায় আটক করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলার সঠিক কারন জানা যায়নি। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সাম্প্রতিক মন্তব্য
কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য লিখুন