নীলফামারীতে খোলা ট্রাকে টিসিবির পণ্য পেয়ে স্বস্তিতে সাধারণ মানুষ
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে নীলফামারীতে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর খোলা ট্রাকে পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমে স্বস্তি ফিরেছে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে। সরকার নির্ধারিত দামে চিনি, মসুর ডাল ও ভোজ্য তেল কিনতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন দিনমজুর, ভ্যানচালক, শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষ।
স্বল্প মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পেয়ে খুশি সাধারণ মানুষ। তারা বলছেন, বাজারের চাপে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। টিসিবির এ কার্যক্রম তাদের অনেকটা স্বস্তি দিচ্ছে। সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে টিসিবি কার্ড ছাড়াও এ কার্যক্রম নিয়মিত চালু রাখার দাবি জানান তারা।
টিসিবির পণ্য কিনতে আসা ভ্যানচালক জিকরুল হক বলেন, “আমাদের স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এটা অনেক ভালো। এই পণ্য কিনে আমাদের অনেক সাশ্রয় হচ্ছে।”
মর্জিনা বানু বলেন, “২ কেজি তেল, ২ কেজি ডাল আর ১ কেজি চিনি বাইরে কিনতে গেলে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা লাগতো। এখানে আমরা ৪৮০ টাকায় এসব পণ্য পেয়েছি। এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ।”
ছকিমন বেওয়া বলেন, “টিসিবি কার্ড ছাড়াই আমরা পণ্য পাচ্ছি। সরকার যেন এ ধরনের কার্যক্রম চালু রাখে। তাহলে আমাদের টাকা বাঁচবে।”
জেলার ১০টি পয়েন্টে প্রতিদিন প্রায় চার হাজার মানুষের কাছে টিসিবির পণ্য পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বিক্রয় কার্যক্রমে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নারী ও পুরুষের জন্য পৃথক লাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে ভিড় ও বিশৃঙ্খলা ছাড়াই দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্রেতাদের হাতে পণ্য তুলে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। এছাড়া সুষ্ঠু তদারকির জন্য প্রতিটি পয়েন্টে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ট্যাগ অফিসার।
ট্যাগ অফিসার মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, “সুষ্ঠুভাবে পণ্য বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। যাতে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে পণ্য কিনতে পারেন, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।”
নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, “নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সুলভ মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছে দিতেই সরকারের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সাম্প্রতিক মন্তব্য
কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য লিখুন