পঞ্চগড়ে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের সুফল নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিং
সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল পুনঃখনন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, নারীদের জন্য বিশেষ যানবাহন ব্যবস্থা এবং কৃষি ঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের সুফল তুলে ধরে পঞ্চগড়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসন ও জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোছা. শুকরিয়া পারভীন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জেলা তথ্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল কুমার শীল।
এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সীমা শারমিন, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানা, পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের সভাপতি মোশাররফ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সরকার হায়দারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঘোষিত সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের ধারাবাহিক বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন খাতে উন্নয়নমূলক ও জনকল্যাণমুখী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম, খাল ও জলাধার পুনঃখনন, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ অভিযান, নারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে বিশেষ গাড়ি প্রদান, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালু এবং কৃষি ঋণ মওকুফ কর্মসূচি।
বক্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী গত ১৪ এপ্রিল কৃষক কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। প্রাথমিকভাবে ২০ হাজার ৬৭১ জন কৃষক এ সুবিধার আওতায় আসবেন। কৃষকদের জন্য এই ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মাধ্যমে এক প্ল্যাটফর্মে একাধিক সরকারি সেবা নিশ্চিত করা হবে।
এছাড়া, আগামী পাঁচ বছরে দেশের প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার মৃত ও ভরাট খাল এবং জলাধার পুনঃখননের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করা হয়েছে। সারা দেশে প্রায় ১২ লাখ কৃষকের ঋণ মওকুফে সরকারের ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৫৬৭ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোছা. শুকরিয়া পারভীন বলেন, কৃষক কার্ড কর্মসূচি দেশের কৃষকদের জন্য একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা এক ছাতার নিচে বিভিন্ন সরকারি সেবা পাবেন। কার্ডে থাকা তথ্যের মাধ্যমে কোন কৃষক কোন সুবিধার আওতায় রয়েছেন, তা সহজেই জানা যাবে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে কৃষক কার্ড বিতরণ ও সমন্বিত ডাটাবেজ তৈরির কাজ সম্পন্ন করা হবে বলেও তিনি জানান।
সাম্প্রতিক মন্তব্য
কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য লিখুন