আজঃ শনিবার, ০৮ আগস্ট, ২০২৬ -এ ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ - ২৩ সফর ১৪৪৮
  • আজ রংপুরের আবহাওয়া
• গাইবান্ধায় নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ • সাঘাটায় আহত জামায়াত কর্মী সালাহউদ্দিনের মৃত্যু • পীরগাছায় ছাত্রদল নেতার মৃত্যুর ঘটনায় থানা ঘেরাও • তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্পের কাজ অল্পদিনেই শুরু হবে: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী • বিরামপুরে গ্রেপ্তার পঞ্চগড় পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি তারেক, জেলহাজতে প্রেরণ • গাইবান্ধায় নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ • সাঘাটায় আহত জামায়াত কর্মী সালাহউদ্দিনের মৃত্যু • পীরগাছায় ছাত্রদল নেতার মৃত্যুর ঘটনায় থানা ঘেরাও • তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্পের কাজ অল্পদিনেই শুরু হবে: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী • বিরামপুরে গ্রেপ্তার পঞ্চগড় পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি তারেক, জেলহাজতে প্রেরণ

ঘোড়াঘাটে পুলিশ প্রশাসনের নাকের ডগায় জুয়ার মহোৎসব

Nuclear Fusion Closer to Becoming a Reality6

মোঃ মাহফুজুর রহমান

মোঃ মাহফুজুর রহমান , ঘোড়াঘাট , দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ

আপডেটঃ 8 মে, 2026

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার বুলাকীপুর ইউনিয়নের কুলানন্দপুর গ্রামের করতোয়া নদীর পাড় এখন আর কেবল একটি নদীপথ নয়, বরং উত্তরবঙ্গের অপরাধ জগতের এক অঘোষিত ‘জমজমাট জুয়ার আসর’। মাসের পর মাস এখানে কোটি কোটি টাকার জুয়া চললেও রহস্যজনক কারণে নীরব পুলিশ প্রশাসন। মাঝে মাঝে পুলিশের ‘আইওয়াশ’ অভিযানে চুনোপুঁটিরা ধরা পড়লেও অদৃশ্য সুতার টানে ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে জুয়া সাম্রাজ্যের মূল গডফাদাররা। ফলে প্রশ্ন উঠেছে—কার মদদে এই ওপেন চ্যালেঞ্জ?

অনুসন্ধানে জানা যায়, কুলানন্দপুর গ্রামের দুর্গম নদী তীরকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। প্রতিদিন দুপুর গড়াতেই এখানে বসছে জুয়ার আসর। দিনাজপুর, গাইবান্ধা ও বগুড়াসহ পার্শ্ববর্তী ৫-৬টি জেলা থেকে সিএনজি ও মোটরসাইকেলের নিয়ে হাজির হচ্ছে পেশাদার জুয়াড়িরা। দুর্গম এলাকা হওয়ায় দূর থেকেই প্রশাসনের গতিবিধি নজরদারি করতে পারে সিন্ডিকেটের নিয়োগ করা ‘লাইনম্যান’রা। ফলে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই পগারপার হয়ে যায় মূল হোতারা।

মাঝে মধ্যে পুলিশ প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে কয়েকজনকে আটক করে বাহবা নিলেও কয়েক দিন যেতে না যেতেই ফের শুরু হয় আসর। স্থানীয়দের দাবি, পুলিশের এই অভিযানগুলো কেবলই ‘রুটিন মাফিক’। আসরের প্রকৃত আয়োজক বা মাস্টারমাইন্ডদের কেন স্পর্শ করা হচ্ছে না, তা নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—তবে কি প্রশাসনের কোনো গোপন আশকারা বা মাসোহারার বিনিময়ে এই অপরাধ সাম্রাজ্য টিকে আছে?

এই জুয়ার আড্ডা থেকে নদীর তীরে বসছে নেশার আসরও। এতে যেমন ধ্বংস হচ্ছে উপজেলার তরুণ প্রজন্ম, তেমনি এলাকায় পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চুরি ও ছিনতাই। প্রতিবাদ করলে উল্টো মামলা বা হামলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে সাধারণ গ্রামবাসী ও সাংবাদিকদের। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, "জুয়াড়িরা বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে বীরদর্পে গ্রামে ঢোকে। পুলিশ মাঝেমধ্যে আসে, নাটকের মতো কয়েকজনকে ধরে নিয়ে যায়, কিন্তু মহাজনরা সব সময় সেফ থাকে।"

এ বিষয়ে থানা পুলিশ ও  প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা বলা হলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন কুলানন্দপুরবাসী দেখছে না।

মন্তব্য লিখুন

সাম্প্রতিক মন্তব্য

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সম্পাদকের কলাম

সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান

মতামত ও কলাম

ড. মাহফুজ পারভেজ
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
মামুন রশীদ
মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া
ডঃ সাদিক আহমেদ বিপুল
image