আজঃ রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬ -এ ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ - ৩ সফর ১৪৪৮
  • আজ রংপুরের আবহাওয়া
• সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে মেসেঞ্জারে হুমকি ও অশালীন গালিগালাজের অভিযোগ, থানায় অভিযোগ • চিরিরবন্দরে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু • রৌমারীতে ইয়াবাসহ আটক তিন ব্যক্তিকে সালিশে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ • সন্তানের জন্য মায়ের আহাজারি, অপহরণের দেড় মাসেও মিলেনি সন্তানের সন্ধান • ডিমলায় স্কয়ার ক্লিনিকের বিরুদ্ধে চিকিৎসা গাফিলতির অভিযোগ, প্রসূতির মৃত্যু • সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে মেসেঞ্জারে হুমকি ও অশালীন গালিগালাজের অভিযোগ, থানায় অভিযোগ • চিরিরবন্দরে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু • রৌমারীতে ইয়াবাসহ আটক তিন ব্যক্তিকে সালিশে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ • সন্তানের জন্য মায়ের আহাজারি, অপহরণের দেড় মাসেও মিলেনি সন্তানের সন্ধান • ডিমলায় স্কয়ার ক্লিনিকের বিরুদ্ধে চিকিৎসা গাফিলতির অভিযোগ, প্রসূতির মৃত্যু

রৌমারীতে ইয়াবাসহ আটক তিন ব্যক্তিকে সালিশে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ

Nuclear Fusion Closer to Becoming a Reality6

Default Avatar

মোঃ শাহরিয়ার নাজিম , রাজিবপুর , কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

আপডেটঃ 18 জুলাই, 2026

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিনজনকে আটকের পর গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে উদ্ধার করা ইয়াবা কয়েক দিন ধরে স্থানীয় দুই ব্যক্তির কাছে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এ পর্যন্ত জব্দকৃত ইয়াবা পুলিশ উদ্ধার করতে পারেনি। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

ঘটনাটি গত বুধবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের বিকরিবিল গ্রামে ঘটে।

স্থানীয় সূত্র ও সালিশে উপস্থিত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সীমান্তবর্তী বিকরিবিল গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তি ইয়াবা সেবন ও বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত—এমন সন্দেহে স্থানীয় লোকজন তাদের ধাওয়া করেন। এ সময় অন্যরা পালিয়ে গেলেও ইয়াছিন আলী (২২), বকুল হোসেন (২৫) ও জাকির হোসেন (২৬) নামে তিনজনকে আটক করা হয়।

ওই রাতেই বিকরিবিল গ্রামে আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে একটি সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও দেহ তল্লাশির সময় তাদের কাছ থেকে ৯টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় বলে দাবি করা হয়। সালিশ পরিচালনা করেন সাবেক ইউপি সদস্য শেখ ফরিদ।

সালিশে উপস্থিত ব্যক্তিদের দাবি, আটক তিনজন ইয়াবা সেবন ও বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। এরপর তাদের জনসম্মুখে কান ধরে ওঠবস করানো ও বেত্রাঘাত করা হয়। একপর্যায়ে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যদের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হয় এবং চিকিৎসার পরামর্শ দেওয়া হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উদ্ধার করা ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের কাছে হস্তান্তর না করে স্থানীয় মাতব্বর আব্দুল বাতেনের কাছে রাখা হয়। এ ঘটনায় জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে মাতব্বর আব্দুল বাতেন ইয়াবা ট্যাবলেট নিজের কাছে রাখার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, “ছেলেরা যেন ভবিষ্যতে মাদক ব্যবসা ও সেবন না করে, সে জন্য তাদের শাসন করা হয়েছে।”

সালিশ পরিচালনাকারী সাবেক ইউপি সদস্য শেখ ফরিদ বলেন, “আটক ব্যক্তিরা নিজেদের অপরাধ স্বীকার করায় তাদের শাস্তি দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।”

সালিশি বৈঠকের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “প্রথমবার হওয়ায় তাদের সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঘটলে পুলিশের সহায়তা নেওয়া হবে।”

রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাওছার আলী বলেন, “বিষয়টি জেনেছি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

মন্তব্য লিখুন

সাম্প্রতিক মন্তব্য

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সম্পাদকের কলাম

সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান

মতামত ও কলাম

ড. মাহফুজ পারভেজ
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
মামুন রশীদ
মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া
ডঃ সাদিক আহমেদ বিপুল
image