আজঃ শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬ -এ ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ - ২৮ জ্বিলক্বদ ১৪৪৭
  • আজ রংপুরের আবহাওয়া
• সিবিএস সমস্যায় সোনালী ব্যাংকের গ্রাহক • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুগোপযোগী ও আরো গতিশীল করে গড়ে তুলতে হবে : এ টি এম আজহারুল ইসলাম • পঞ্চগড়ে চুরি হওয়া ঔষধি গাছ দিয়ে তৈরি হচ্ছে অবৈধ বালু পরিবহনের রাস্তা • কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাতিল বেরোবির নতুন ভিসি নিয়োগ • হিলি কাস্টমসে ১৭ তারিখ সাধারণ নিলাম, বিক্রি হবে মোট ৭৬ যানবাহন • সিবিএস সমস্যায় সোনালী ব্যাংকের গ্রাহক • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুগোপযোগী ও আরো গতিশীল করে গড়ে তুলতে হবে : এ টি এম আজহারুল ইসলাম • পঞ্চগড়ে চুরি হওয়া ঔষধি গাছ দিয়ে তৈরি হচ্ছে অবৈধ বালু পরিবহনের রাস্তা • কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাতিল বেরোবির নতুন ভিসি নিয়োগ • হিলি কাস্টমসে ১৭ তারিখ সাধারণ নিলাম, বিক্রি হবে মোট ৭৬ যানবাহন

পঞ্চগড়ে চুরি হওয়া ঔষধি গাছ দিয়ে তৈরি হচ্ছে অবৈধ বালু পরিবহনের রাস্তা

Nuclear Fusion Closer to Becoming a Reality6

ইকবাল বাহার

ইকবাল বাহার , পঞ্চগড় সদর , পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ

আপডেটঃ 14 মে, 2026

পঞ্চগড়ে বেঙ্গল হার্বাল গার্ডেনের মূল্যবান ঔষধি গাছ চুরির ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, চুরি হওয়া সেই গাছ কেটে করতোয়া নদী থেকে অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু পরিবহনের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, রাতের আঁধারে গাছ কেটে বালু ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে এবং সেই গাছ দিয়েই নদীপাড়ে কাঁচা রাস্তা তৈরি করে চলছে ট্রাক চলাচল।

ঘটনাটি সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়নের পাকারমাথা এলাকার করতোয়া নদীসংলগ্ন এলাকায়। সরেজমিনে দেখা যায়, নদীপাড়ের বিস্তীর্ণ বাদাম ক্ষেত নষ্ট করে ট্রাক চলাচলের জন্য একটি অস্থায়ী রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। কাদামাটি ও নরম জমিতে ভারী ট্রাক যাতে দেবে না যায়, সেজন্য বড় বড় গাছ কেটে রাস্তার নিচে পুঁতে রাখা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব গাছ এসেছে বেঙ্গল হার্বাল গার্ডেন থেকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বালু ব্যবসায়ী জানান, পাকারমাথা এলাকায় সরকার অনুমোদিত কোনো বালুমহাল নেই। এরপরও দীর্ঘদিন ধরে সেখানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে। তারা বলেন, “রাতের অন্ধকারে ট্রাকে করে গাছ এনে নদীপাড়ে ফেলা হয়। পরে সেই গাছ দিয়েই রাস্তা তৈরি করে বালু পরিবহন করা হচ্ছে।”

অভিযোগের তীর উঠেছে বেঙ্গল হার্বাল গার্ডেনের কেয়ারটেকার আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, তিনিই গোপনে গার্ডেনের মূল্যবান ঔষধি গাছ কেটে বিক্রি করছেন। এ বিষয়ে সরেজমিনে পাকারমাথা এলাকায় কথা হলে স্থানীয় ব্যক্তি মজাহারুল ইসলাম জানান, “রাতের বেলায় হার্বাল গার্ডেনের কেয়ারটেকার আশরাফুল ইসলাম নিজেই গাছ এনে আমাদের বালুর পয়েন্টে পৌঁছে দিয়েছেন।”

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলেন, “হার্বাল গার্ডেনের কোনো গাছ কাটা হয়নি। গাছ চুরির ঘটনাও সত্য নয়। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন।”

এদিকে বেঙ্গল হার্বাল গার্ডেনের দায়িত্বে থাকা সার্ভেয়ার মুরাদ হোসেন অভিযোগের সত্যতা আংশিক স্বীকার করে বলেন, “আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে আগেও গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছিল। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।”

স্থানীয় পরিবেশ সচেতন মহল বলছে, একদিকে সরকারি সম্পদের গাছ চুরি, অন্যদিকে অবৈধ বালু উত্তোলনের মাধ্যমে নদী ও কৃষিজমির ক্ষতি দুই অপরাধই একই সঙ্গে ঘটছে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। বিশেষ করে করতোয়া নদীর তীরবর্তী এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
 

মন্তব্য লিখুন

সাম্প্রতিক মন্তব্য

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সম্পাদকের কলাম

সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান

মতামত ও কলাম

ড. মাহফুজ পারভেজ
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
মামুন রশীদ
মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া
ডঃ সাদিক আহমেদ বিপুল
image